এক নজরে দেখে নেই রোযার মাসে একদল মানুষ যা যা করে..
১ এরা একেবারে তারাবির নামাজের পর ঘুমায়। আবার উঠে সেহেরির সময়। .
২। কিছু মানুষ ইফতার করেই ঘুমায়।আবার রাত ৯ ১০টায় উঠে নামজ পড়ে ঘুমায়। .
৩। আবার কিছু মানুষ আছেন যারা ইফতার করে বিভিন্ন কাজ করেন। রাত ১০টার দিকে এরা ঘুমায়। .
৪। আর এক দল আছেন যারা সারা রাত ফোন টিপেই যায়। একেবারে ফজরের নামাজ পড়েই ঘুমায়। .
৫। এখন যাদের কথা বলবো এরা হচ্ছে সব চেয়ে ভয়ংকর। তারা ঘুমায় না।ইফতার করে যে ফোন নিয়ে বসে তারপর আর তাদের বাহিরের জগৎএর খেয়াল থাকে না। ঠিক রাত ২-২:৩০ এরা পর ঘুমের ভং ধরে থাকে।,হাজার বার ডাকলেও তারা উঠে না।,ঠিক ৩টায় এদের দেখা পাওয়া যায়,।মাঝে মাঝে তো এমন ভং ধরে যার ফলে আর সেহেরিই খেতে পারে না।,মানে ভং ধরতে গিয়ে আসলেই ঘুমিয়ে যায়। .
৬।,এবার আসি এলিয়েন জাতি নিয়য়ে। এরা রোযা রাখে না। কিন্তু ইফতারে প্রচুর খায়। ইফতারের পর এমন ভাব করে তাতে মনে হয় তারা সারা দিন প্রচুর কাজ করেছে। ফলে প্রচুর ক্লান্ত। এখনই তাদের ঘুমের দরকার। (এদের দেখা যায় পরিবারের বাচ্চা সদস্য হিসেবে। কিছু ক্ষেত্রে আবার বড় বাচ্চা হিসেবেও দেখা যায়) .
৭। এবার যাদের কথা বলবো তারা হচ্ছেন এলিয়েন ও মানুষের মাঝা মাঝি। রোযা রাখে, নামাজ ও পড়ে। কিন্তু প্রচুর ঘুমায়। ঘুম থেকে উঠে ঘুমায়। আবার ঘুমায়। ঘুম ছাড়া এরা কিছুই বুঝে না।। এদের ঘুম এতটাই বেশি যে তারা ইফতারও করতে পারে না ঠিক ভাবে।কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবেই এরা রাত ৯, ১০টার দিকে ঘুম দিয়ে জেগে যায়। আর ঘুমায় ফজরের নামাজের পর। এর পর সারা দিন আর তাদের খোঁজ পাওয়া যায় না। মানে এরা ঘুমিয়েই থাকে। এমন ঘুম দেয় যে কাল বৈশাখী ঝড় হলে টের পাওয়া দূরে থাক, খাট থেকে পরে খাটের নিচে চলে যাবে তাও ঘুম ভাঙবে না।
.
৮। এবার যাদের কথা বলবো তারা হলে লিজেন্ড। তারাও প্রচুর ঘুমায়। ঘুমাতে ঘুমাতে খাট থেকে পরে কপাল ফুলে যায়। তাও ঘুম ছাড়া যাবে না। এই দলের কিছু মানুষ আবার ফ্লোরে বিছানা করে রাখে। যদি খাট দিয়ে পরেও যায় তাহলে সেই ফ্লোরের বিছানায় পরবেন। ব্যাথাও পাবে না। ঘুমের অসুবিধেও হবে না। ….
(আপনি কোন ক্যাটাগরিতে আছেন?
আমি ৭,৮)
#মিথিলাফারজানা (Mithila Farjana)
Send private message to author



