আমরা প্রায় সবাই নিয়মিত বাজার করতে যাই। বাজারে একই জিনিসের জন্য বড়, ছোট, মাঝারী, গরীব, অসহায় বিভিন্ন রকম বিক্রেতা দেখতে পাওয়া যায়। ক্ষেত্র বিশেষে বিক্রেতার ধরন অনুযায়ী একই মানের জিনিসের দাম বিক্রেতা ভেদে কিছুটা কম বেশী ও হয়ে থাকে।
একজন ক্রেতার স্বাধীনতা রয়েছে তার ইচ্ছে অনুযায়ী জিনিসপত্র কেনার। আমরা প্রায় অনেকেই জিনিস পত্র কেনা কাটার জন্য বড় বড় দোকান গুলোকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি। অথচ একই মানের একই জিনিস আমরা ছোট দোকানী বা ফুটপাতের কোন বিক্রেতার কাছ থেকে তুলনামূলক কম দামে পেয়ে ও কিনতে চাই না বা কিনি না।
একজন ছোট্ট আর গরীব দোকানীর চোখের দিকে তাকিয়ে আপনি দেখবেন তার চোখে কি এক আকুতি আর করুন চাহনী পণ্য বিক্রি করার আশায়। বাজার গুলোতে গ্রামের গরীব, অসহায় লোকজন, প্রান্তিক খামারী, দুঃস্থ মহিলা, বস্তিবাসী লোকজন নিজের ক্ষেতের তাজা শাক সবজি, লাউ, কুমড়া বা অন্যান্য জিনিস পত্র বিক্রি করতে নিয়ে আসেন বাজারে। তাদের থাকে বিক্রি করার বাধ্য বাধকতা। কারণ এটা বিক্রি করেই হয়তো জুটবে তার পরিবারের সেদিনের আহার। আর বিক্রি করতে না পারলে হয়তোবা সে দিনটা কেটে যাবে তাদের অনাহারে বা অর্ধাহারে। কাজেই তারা অধীর আগ্রহে বসে থাকে একজন ক্রেতার আশায়। প্রহর গুনতে থাকে কখন আসবে একজন ক্রেতা। কিনবে তার পণ্য।
কিন্তু অপ্রিয় সত্য হলো আমরা অনেকেই এ সমস্ত বিক্রেতার কাছে যাইনা বা যেতে চাইনা। অনেক ক্ষেত্রে আমরা এতে সংকোচ ও বোধ করি। অথচ আমাদের একটু দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই এই সমস্ত গরীব আর দুঃস্থ লোকজনের মুখে এক প্রশান্তি আর হাসির জন্ম দিতে পারে। হোক না এটা তাদের জন্য আমাদের দেয়া এক সামান্য উপহার।
মোঃ আওরঙ্গজেব চৌধুরী।
Md. Aowrangazeb Chowdhury.
০৮ জুন ২০২০।







আপনার প্রতিটি লেখার মধ্যে আমি যেন আমার জীবনে স্বচক্ষে অবলোকন করা চিত্রই খুঁজে পাই। এই লেখাতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
সবজি দোকানে গেলে কত কাতর স্বরে দোকানি আমাকে সবজিগুলো নেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। সে সময় আমি প্রয়োজন না হলেও কিনে নিই সবজিগুলো।