কথা ছিল, সেদিন তোমার কপালে, আমার আঁকা স্বপ্নগুলোর
অচেনা বাক্যদেরকে বিন্দু বিন্দু ঘামের মত করে, ছড়িয়ে দেব
যাতে করে অন্যের দৃষ্টি, সে কুলষিত বাঁধনে ছেঁড়ে
কর্কশ সুরে ভুলে, অজানায় হারিয়ে যায়!
শুধু আমাদের গড়া জগতে, যেন আজীবনের আমরা থাকি আমাদের হয়ে,
কেমন হবে সে পরাবাস্তব জীবন? তুমি কী বলতে পারবে? কল্পনা করি…
মৃদু শিশির কণার ছোঁয়ে, সবুজ ঘাসের কার্পেটে, আমরা থাকব,
সম্মুখে বিশাল নক্ষত্রবিথীর আশীর্বাদে আমাদের অনবদ্য কাব্য থাকবে,
চঞ্চল কালের তরী, তখন অলস হেঁয়ালিপনায় থমকে রবে, অভিন্ন পদ্যের কাছে,
পরজন্মের মাঝে নব জন্মের সাথে, পুনর্জন্ম ঘটবে বিমুর জাতিস্মরের, প্রতিক্ষন, অবিরাম।
মেঘে মেঘ কেটে বাজের কালে, অনড় পাড় ভেঙ্গে কেমন করে শুধু ঝর্ণা কেঁদে চলে?
ধু ধু মরুর বুকে পড়ে থাকা মলিন শঙ্খের গায়ে, সে কোন ভালোবাসার সাক্ষী থাকে?
তুমি ভেবো না, আমাদেরও হবে এ ধরণী, এ মুক্ত গগন, এ ক্লান্ত বাতাস,
প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের ভালোবাসার সাক্ষ্য দিয়ে যাবে; যতদিন এ আকাশগঙ্গায়
অশরীরী তারাদের রোশনি জ্বলবে, সেথায় আমাদের অমর কাব্যকথা, কোনো
উজ্জ্বল জোনাকদের বেশে, অম্লান জোছনা ছুঁয়ে, ভালোবাসার সুর তুলে,
অতঃপর নিশির আভা ফুরালে ওদের কী মৃত্যু ঘটে?
-সূচক
Send private message to author






