কাতর আমার চক্ষুদুটি নিঃশেষ হয়ে যায়, দুঃখের মৃদু নিঃশ্বাসে, লোকে আমাকে সুধায়, কেমন করে ভেঙ্গে দেয় বাস্তবতার মুখোশ! আমি নিরবে প্রথম জন্মে বসেছিলাম, হাতে হাত রেখে দেখেছিলাম, তোমাদের নোংরা ধূলি জমা জীবনগল্পে, হারানো পদচ্ছাপ পেয়েছিলাম, নিথর ছিলাম...
সমাপ্তি? সেটা কী? কোনো রমণীর পিছু ফিরে তাকানো হাঁসি? নাকি কোনো অবুঝ বালকের ক্রন্দন রত কোনো খেলনা গাড়ি? আসলে সেটা কী? যার কখনো তৃষ্ণা মেটে না, যা কখনো পূরণ হয় না মানব জন্মের স্বাদ আহ্লাদ উপেক্ষা করে, নব অর্থবহ জীবনের অভিলাষ, ঠিক সেটাই কী সমাপ্তি...
ভাঙ্গা গড়া আমার জীবনের সকল নিঃশ্বাসে, আঁকা তোমার কুলষিত সত্ত্বার মিথ্যাচার, অসীম অদূরে আমার ভালোবাসা কুঁড়েকুঁড়ে মরে, জাতিস্মরের আওয়াজ তুলে; যখন কোনো বেদনাহীন চিত্তে মানবতার নোংরা দেয়াল ভেঙ্গে পড়ে জগৎ ভুলানো অন্ধকারচ্ছন্ন কুয়োর তলদেশে। মৌন...
অজানা ভবিষ্যৎ বরাবর আমাকে আবেগী করে তুলে, অচেনা সাগরের বুকে, নয়তো কোনো এক অচিন আকাশে কিছু অসমাপ্ত ভালোবাসার কাব্যকথা বারবার লিখতে গিয়েও যেন, সত্য হয়ে জুড়ে আসে, নির্মম বাস্তবতার সাক্ষী হয়ে থাকা পরবাস্তব স্বপ্নের আড়াল হতে, আমার দর্পণে প্রতিফলিত...
অজানা পথের বাঁকে, মৃদু জোনাকের আলো নিভানো প্রভাতে, যখন রবি তার সোনালো রশ্নির আভায় আমায় সিগ্ধ অন্তর ছোঁয়ে, জোনাকদের মৃত্যু বাড়ায়। কেউ কী তাদের মৃত্যু-চিৎকার শোনে? নাকি কোনো সহৃদয়বান আত্না তাদের বিগামী পথের পানে চেয়ে বিধাতার কাছে প্রার্থনা করে...
ঘড়ির কাঁটায় ১২টা বাজতে আরও ২৫ মিনিট বাকি আছে; সময় যেন স্থবির হয়ে আছে, এদিকে অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আমি। কখন ১২টা বাজবে, কখন ওর সাথে কথা হবে। আচ্ছা, ওকে আমি ফোন কলে কী বলব? প্রথমেই যদি ভালবাসি বলি, তাহলে… সে কী কথা বলবে আমার সাথে? নাকি, ফোন...
জীবনটা আজ বড় একা, শুধু তোমার ছায়াপথে দিশেহারা, নিশ্চুপ সূর্যকে ঢেকে, জোনাকীর আলোয় এক মুঠু সান্তনা। নীল রঙ হাতে, ছবি আঁকি আমি, তোমার আমার দৃশ্য যেখানে বন্দী! আঁধার-আলোয় কষ্টটা আজ, খই হারা এক...
“চলো না কোথা থেকে ঘুরে আসি”, লগনের বাঁ পাশে নীল শাড়ী গাঁয়ে বসে থাকা সদ্য কিশোরী প্রাপ্ত মেয়েটি হুট করে বলে উঠে। সম্মুখে ব্রাহ্মপুত্রে ভেসে এক পাল হাঁস তাদের অপরাহ্ণ ভ্রমণ ইতি টানছে দেখতে দেখতে; লগনের মনঃগভীরে অজানা সংশয়ের আভাস লাগে। গোধূলি লগ্নে...
আমি কখনো বাঁচতে চাই নি এমন করে বাকির জীবন, যেন কারো কাছে আজন্ম ঋণী আমি কখনো বাঁচতে চাই নি এমন করে কবিতাদের গলা টিপে হত্যা করে নিথর অলস সময় পাড়ে, দাঁড়িয়ে এক ক্ষান্ত ভোরে আমি কখনো বাঁচতে চাই নি এমন করে চেয়েছিলাম মুক্ত গাঙচিলের শঙ্খ নীরের আকাশ...
“মাধবীর সাথে সেদিন এমনভাবে দেখা হবার পর, এত কিছু ঘটার পর নিজেকে স্বাভাবিক ভাবে পুনরায় সে চিরচেনা রূপে ফেরত পাব আশা করি নি। সম্পূর্ণ নতুন ভাবে নিজেকে আবিষ্কার করার কথা বেমালুম ভুলে গিয়েছিলাম, নয়নে-অধরে সবখানে শুধু মাধবী-মাধবী চক্র চলছিল। হ্যাঁ...











Recent Comments